ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা শুনানিতে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
 ছবি:
ছবি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের খসড়া সীমানা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের পক্ষে-বিপক্ষে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও তার সমর্থকদের সঙ্গে প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীরা এই সংঘর্ষে জড়িয়েছিলেন।

রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে এই শুনানি শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন ৩০০ সংসদীয় আসনের খসড়া সীমানা প্রকাশ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জন্য সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা এবং বিজয়নগর উপজেলার বুধস্তি, চান্দুয়া ও হরষপুর ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এবং বিজয়নগর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

খসড়া প্রকাশের পর পক্ষে ও বিপক্ষে আবেদন জমা পড়ে। শুনানির সময় বিএনপির দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা তর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং দুপুর সোয়া ১টার দিকে হাতাহাতি শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ইসি সচিব আখতার আহমেদ শুনানি শেষ করে পক্ষদের বেরিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানা বলেন, “আমি একজন আইনজীবী হিসেবে আমার কেস নিজেই উপস্থাপন করেছি। তবে বিপরীতপক্ষের আচরণ মারাত্মক এবং লজ্জাজনক। যে নেতাকর্মীদের জন্য ১৫ বছর লড়াই করেছি, তারাই আজ আমার ওপর হাত তুলেছে। নির্বাচনের আগে এমন পরিস্থিতি হলে ভোটে কী হবে তা অনুমেয়।”

হট্টগোল চলাকালে এনসিপির তিন কর্মী আহত হন। প্রকৌশলী আমিনুল হক চৌধুরী বলেন, “আমরা আমাদের দাবিসহ ইসিতে এসেছিলাম, কিন্তু আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।”

শুনানির সময় নির্বাচন ভবনের বাইরে ও অভ্যন্তরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। ভবনের সামনে জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত