৬ হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করল আমেরিকা

আজকের মতামত ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি: ফেসবুক
সংগৃহীত ছবি: ফেসবুক

কমপক্ষে ৬ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করেছে আমেরিকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব শিক্ষার্থী আইন লঙ্ঘন করেছেন বা ভিসার মেয়াদ অতিরিক্ত সময় অবস্থান করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাতিল হওয়া ভিসার অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরাধের অভিযোগ আছে। এসবের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন স্থানে হামলা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং সন্ত্রাসবাদের পক্ষে সমর্থন দেওয়া। তবে সন্ত্রাসবাদের সমর্থন বিষয়টি মন্ত্রণালয় বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর কঠোর দমননীতির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিছু শিক্ষার্থী ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ করার কারণে টার্গেট হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, তাদের আচরণ ছিল ইহুদিবিরোধী।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ছয় হাজার ভিসার মধ্যে প্রায় চার হাজার ভিসা বাতিল হয়েছে মার্কিন আইন লঙ্ঘনের কারণে। এছাড়া ২০০–৩০০ ভিসা বাতিল করা হয়েছে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে। আইন অনুযায়ী, সন্ত্রাসী কার্যক্রম বলতে বোঝানো হয়েছে এমন কাজ যা মানবজীবনের জন্য হুমকি তৈরি করে বা মার্কিন আইন ভঙ্গ করে।

এ বছরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত করেছিল। জুনে পুনরায় চালু হলেও, সকল আবেদনকারীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট প্রদর্শন করতে বাধ্য করা হয়। এসময় তাদের বিশ্লেষণ করা হয় যে তারা কোনো বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থন করছে কিনা বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে কিনা।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, জানুয়ারি থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘যারা আমাদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের ভিসা বাতিল করা হবে।’ তবে ডেমোক্রেটরা এই পদক্ষেপকে সমালোচনা করে বলেছে, এটি যথাযথ প্রক্রিয়ার ওপর আঘাত।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত