নেপালকে কোন পথে নিচ্ছে জেন জি, সাধারণ মানুষ কী বলছে

আজকের মতামত ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি: ফেসবুক
সংগৃহীত ছবি: ফেসবুক

নেপালে বিক্ষোভের মুখে সরকার পতনকে ঐতিহাসিক বিপ্লব বলছেন কাঠমান্ডুর বাসিন্দারা। কেউ আশাবাদী হলেও, কেউ আবার জানিয়েছেন আতঙ্কের কথা। এ ছাড়া একজন দুর্নীতিমুক্ত নেতার স্বপ্ন দেখছে দেশটির নতুন প্রজন্মের তরুণরাও।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতা পর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে। সড়কজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞের ছাপ স্পষ্ট। দেখা মিলছে পোড়া যানবাহন ও ভবনের।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল। এরপরও কিছু কিছু জায়গা থেকে পাওয়া যাচ্ছে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের খবর। সরকারের পতনের পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজধানীবাসী।

তরুণদের এই আন্দোলনকে ঐতিহাসিক বিপ্লব আখ্যা দিচ্ছেন নেপালিরা। অনেকে বলছেন, এই আন্দোলন তাদের জাগিয়ে তুলেছে এবং নাগরিকদের প্রাপ্য অধিকার আদায়ের পথ খুলে দিয়েছে। আবার অনেকে মনে করছেন, এখনো পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এর মধ্যে একজন বলেন, ‘যারা শাসনে ছিলেন, তারা আমাদের সঙ্গে এবং গরিবদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। নাগরিকদের অর্থ নিজেদের লাভের জন্য ব্যবহার করেছেন।’

এছাড়া দিনবদলের স্বপ্ন দেখছে নতুন প্রজন্মের তরুণরাও। তারা এমন একজন নেতার আশা করছেন, যিনি নেপালকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে পারবেন। এই আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হলেও তা দেশের কল্যাণকর উদ্দেশ্যের জন্য হয়েছে বলেও মনে করছেন তারা।

কাঠমান্ডুর একজন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘দেশের জন্য এখন একজন ভালো নেতার খুব প্রয়োজন। যিনি নাগরিকের অর্থ নিজের জন্য নয় দেশের কল্যাণে ব্যবহার করবেন এবং দেশকে ভালো উপায়ে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।’

বিশ্লেষকদের মতে, কে পি শর্মা অলি সরকারের পতনের মাধ্যমে শুধু দুর্নীতিবিরোধী ক্ষোভই নয়, বরং নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটেছে নেপালে। এই ঘটনার প্রভাব দেশটির আগামী দিনের রাজনীতিতে গভীরভাবে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।

বিষয়:

নেপাল
এলাকার খবর

সম্পর্কিত