কাতারে ‘হামাস প্রতিনিধিদলের ওপর’ বিমান হামলা ইসরায়েলের

আজকের মতামত ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি: ফেসবুক
সংগৃহীত ছবি: ফেসবুক

কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনার জন্য অবস্থান করা হামাস প্রতিনিধিদলকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারের রাজধানী দোহায় হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা গাজার জন্য সর্বশেষ মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে জড়ো হয়েছিলেন। ওই সময় শহরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, কাটারা জেলায় ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এই হামলা হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

এদিকে, হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি আন্দোলনের আলোচক প্রতিনিধিদলকে এই হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এদিকে, গাজার সব বাসিন্দাকে তাৎক্ষণিকভাবে শহর ছাড়তে বলেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরবিতে দেওয়া এক পোস্টে আইডিএফের মুখপাত্র এই আহ্বান জানান। গাজায় হামলা আরও জোরদার করার কথাও উল্লেখ করা হয় এই পোস্টে। এ ছাড়া গতকাল সোমবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ফিলিস্তিনিদের গাজা ছাড়তে বলেছেন। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ফিলিস্তিনের গাজার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে গত মাসে অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ। এরপর আজ এমন ঘোষণা এল। এ কারণে ১০ লাখ ফিলিস্তিনি হুমকির মুখে পড়েছেন। 

এ ছাড়া গাজা শহরে বিলি করা হয়েছে লিফলেট। এসব লিফলেটে গাজা শহর ছাড়ার আহ্বান জানানো হয়। 

অন্যদিকে, ইসরায়েল নতুন করে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করলে গাজায় ভয়ংকর অবস্থা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে জাতিসংঘ। এবার ইসরায়েল তাদের ইচ্ছেমতো সব জায়গা ধ্বংস করে ফেলবে বলেও উদ্বেগ জানানো হয়। এ কারণে হাজারো বাসিন্দা এখন দক্ষিণের দিকে চলে যাবে। কিন্তু তারা সবাই জানে, একবার সেদিকে গেলে আর ফিরে আসা সম্ভব হবে না। 

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় প্রাণহানি ছাড়িয়েছে ৬৪ হাজার ৩০০।

https://www.itvbd.com/236968

এলাকার খবর

সম্পর্কিত