ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের আরও তিনটি গ্রাম দখলে নেওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। আজ শুক্রবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের সৈন্যরা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্কের তিনটি গ্রাম দখল করেছে। এতে তারা যুদ্ধরত এলাকায় কিয়েভের মূল প্রতিরক্ষা লাইনের আরও কাছাকাছি চলে এসেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, দোনেৎস্কে বিধ্বস্ত এলাকায় রুশ বাহিনী ধীরগতিতে এগিয়ে গেলেও একের পর এক স্থান দখল করে চলেছে। সেখানে একেবারে হাতেগোনা বাসিন্দা রয়েছেন এবং অল্পকিছু ভবন অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে জানিয়েছে, মস্কো দোনেৎস্ক এলাকায় কাতেরিনিভকা, ভলোদিমিরিভকা ও রুসিন ইয়ারের বসতিগুলো দখলে নিয়েছে।
রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরকে স্থায়ীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী না হওয়ার ব্যাপারে দোষারোপের পর মস্কোর পক্ষ থেকে নতুন করে গ্রামগুলো দখলে নেওয়ার ঘোষণা এল। এতে দুদেশের শীর্ষ নেতাদের স্বল্প সময়ের মধ্যে বৈঠকে বসে যুদ্ধের অবসান ঘটনার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে।
রুশ বাহিনীর গোলাবর্ষণে একটি পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কোস্টিয়ানটিনিভকা শহরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ইউক্রেন। দোনেৎস্কের আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্যাস পাইপলাইনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে কোস্টিয়ানটিনিভকায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়নি। শ্রমিকদের নিরাপত্তা না থাকায় সেখানকার পাইপলাইন মেরামত করাও অসম্ভব।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সহকারী আন্দ্রি ইয়েরমাক কোস্টিয়ানটিনিভকার ১০ তলা একটি আবাসিক ভবনের ছবি পোস্ট করেছেন। ভবনটি গোলা বর্ষণের কারণে আগুনে পুড়ে গেছে। আন্দ্রি ইয়েরমাক বলেন, ‘কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না পেয়ে রাশিয়া তাদের গুণ্ডামি অব্যাহত রেখেছে।’
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আজ শুক্রবার জানিয়েছে, গোলার আঘাতে বেসামরিক একজন নাগরিক আহত হয়েছে। কিয়েভ আগেই ওই শহর ছেড়ে বেসামরিক নাগরিকদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।