টানা তিন কার্যদিবস পর হাজার কোটা টাকার কম লেনদেন হয়েছে ঢাকার শেয়ারবাজারে। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকও কমেছে। সেই সাথে কমেছে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কমেছে ৪১ পয়েন্টের বেশি।
আজ বুধবার দিনের শুরুতে ইতিবাচক ছিল ঢাকার শেয়ারবাজার। লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটে প্রধান সূচক বাড়ে প্রায় ১৩ পয়েন্ট। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় সূচকের উত্থন-পতন। দিন শেষে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৫ দশমিক ৫১ পয়েন্ট; অবস্থান ৫ হাজার ৪৪৩ পয়েন্টে।
সূচকের সঙ্গে ডিএসইতে কমেছে লেনদেন। আগের দিনের চেয়ে ২৭৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। কমে লেনদেন হয়েছে ৯৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
হাতবদলে অংশ নেওয়া ৩৯৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। কমেছে ১৭৪টি এবং অপরিবর্তিত ৬২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।
সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম সিটি ব্যাংক, দ্বিতীয় সোনালী পেপার, তৃতীয় অবস্থানে বীকন ফার্মা।
শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স দ্বিতীয়, তৃতীয় চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক ৪১ দশমিক আট পাঁচ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ২শ ১ পয়েন্টে। লেনদেন ১৫ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার।